• ডোমেইন ইনভেস্টমেন্ট শুরু করতে হলে, আপনার প্রথম দরকার এই ব্যাপারে সঠিক জ্ঞান অর্জন। আপনি পড়াশোনা না করে, লাখ টাকা নিয়ে শুরু করেও বেশিদূর আগাতে পারবেন না। পড়াশোনা শুরু করতে, পিন পোস্ট ফলো করুন

দেশের বাইরের কোম্পানিগুলো থেকে, ডোমেইন হোস্টিং কেনার জন্য কিভাবে ডলারে পেমেন্ট করব ?

chayan

Founder & Super Administrator at BGD
Staff member
#1
বাংলাদেশ থেকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড এর মাধ্যমে ডলারে পেমেন্ট করতে পারবেন। বাংলাদেশী ব্যাংকগুলো থেকে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নিতে, এনআইডি আইডি কার্ড এবং পাসপোর্ট থাকতে হবে।

বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর ডুয়েল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ডের কয়েকটি লিস্টঃ
১. কার্ড নামঃ Midland Prepaid Card, ব্যাংক নামঃ Midland Bank Limited
২. কার্ড নামঃ EBL Novoair PREPAID CARD, ব্যাংক নামঃ Eastern Bank Limited
৩. কার্ড নামঃ Sonali Bank Prepaid Card., ব্যাংক নামঃ Sonali Bank Limited
৪. কার্ড নামঃ City Bank amex prepaid, ব্যাংক নামঃ City Bank
৫. কার্ড নামঃ Premier Bank Visa/Master Prepaid, ব্যাংক নামঃ Premier Bank
৬. কার্ড নামঃ Exim Prepaid Card, ব্যাংক নামঃ EXIM Bank Ltd
৭. কার্ড নামঃ MTB PayPlus, ব্যাংক নামঃ Mutual Trust Bank Limited
৮. কার্ড নামঃ NRBC Virtual Prepaid card, ব্যাংক নামঃ NRB Commercial Bank Ltd

আমার দেওয়া লিস্টের বাইরে আরো অনেক ব্যাংক ডুয়েল কারেন্সি কার্ড দিয়ে থাকে, কার্ড নেওয়ার জন্য ব্যাংকের শাখা গুলোতে গিয়ে যোগাযোগ করুন। কার্ড নেওয়ার জন্য সার্ভিস ফি ৫৭৫ টাকা থেকে ৬০০ টাকার ভিতরে হবে। প্রয়োজনীয় আরো তথ্য জানার জন্য ব্যাংকগুলোর সাপোর্টে কল করে করুন।

আরেকটি কথা বলতে ভুলে গেছি, ব্যাংকের শাখায় যাওয়ার সময় অবশ্যই দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, এনআইডি কার্ডের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট এর ফটোকপি ও অরিজিনাল পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন। নোটঃ ডলার এনডোর্স করে কার্ডে লোড করার জন্য অবশ্যই পাসপোর্ট থাকতে হবে।

আপনার নিজের পাসপোর্ট নেই, তবে আপনার ফ্যামিলি মেম্বারের কারো পাসপোর্ট রয়েছে, এখন আপনি চাইলে আপনার ফ্যামিলি মেম্বারের হেল্প নিয়ে ডুয়েল কারেন্সি কার্ড নিতে পারবেন। তার জন্য অবশ্যই আপনার ফ্যামিলি মেম্বারকে ব্যাংকের শাখায় নিয়ে যেতে হবে।

তাছাড়া আপনার পরিচিত কোন আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব যদি ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকে, তাহলে তাদের মাধ্যমে ও পেমেন্ট করার জন্য হেল্প নিতে পারেন। কেননা, বেশির ভাগ ফ্রিল্যান্সারদের পেওনিয়ার মাস্টার কার্ড থাকে।

পেপাল বাংলাদেশে অনুমোদন নয়, আপনার ফ্যামিলি মেম্বার বা বন্ধু-বান্ধব যদি কেউ দেশের বাইরে থাকে এবং তাদের যদি পেপাল অ্যাকাউন্ট থাকে, তাহলে তাদের মাধ্যমে ও পেমেন্ট করার জন্য হেল্প নিতে পারবেন।

আমার লেখা আর্টিকেলটি আপনারা ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন আজকের মতন এ পর্যন্ত।
 
Last edited:
Top